Header Ads Widget

Responsive Advertisement

Karisma : “বাসর রাতেই আমাকে বিক্রি করে দিয়েছিলো”

“বাসর রাতেই আমাকে বিক্রি করে দিয়েছিলো”
“বাসর রাতেই আমাকে বিক্রি করে দিয়েছিলো”

“বাসর রাতেই আমাকে বিক্রি করে দিয়েছিলো”


বলিউডের বহুল জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর। ব্যক্তি জীবনে তিনি ২০০৩ সালে ধনাঢ্য ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। কিন্তু সে সংসার তাদের স্থায়ী হয়নি। ২০১৪ সালের জন মাসে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। তখন সকলের প্রশ্ন ছিলো, কেনো তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ? কি এমন হয়েছিলো যে তাদের সংসার ভেঙ্গে গেলো।

এতোদিন তেমন কিছু প্রকাশ্যে না আনলেও এবার প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে ভয়াবহ কিছু অভিযোগ তুলেছেন কারিশমা। একটি সংবাদমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে এক সময়ের ‘নম্বর ওয়ান’ এই নায়িকা জানান, বিয়ের পর দিন থেকেই স্বামী সঞ্জয় কাপুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর মানসিক অত্যাচার শুরু করেন। এই অত্যাচারের তীব্রতা শারিরিক নির্যাতনেও রুপ নিতো।

কারিশমা বলেছেন, “আমাদের বিয়ের মধুচন্দ্রিমার (বাসর) রাতে সঞ্জয় আমাকে প্রস্তাব দেয়, আমি যেনো তার বন্ধুর শয্যাসঙ্গিনী হই। আমি তাতে রাজি না হওয়ায় সঞ্জয় আমার ওপর শারীরিক অত্যাচার শুরু করে। আমি পরে জানতে পেরেছিলাম, সঞ্জয় তার বন্ধুর কাছে আমার মূল্য নির্ধারণ করে বিক্রি করেছিলো।”

Karisma
Karisma 

এটা ছিলো সঞ্জয় কাপুরের দ্বিতীয় বিয়ে। কারিশমার সাথে যখন প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হন তখন আগের স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন এই ব্যবসায়ী। তবে কারিশমার সঙ্গে বিয়ের পরেও তার আগের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন সঞ্জয়। এমনকি তারা নিয়মিতো শারিরিক সম্পর্কেও মিলিত হতেন। এ নিয়ে কিছু বলতে গেলেই নানারকম অত্যাচারের শিকার হতেন কারিশমা।

২০২৪ সালে তাদের পূর্ণাঙ্গ বিচ্ছেদ হলেও বিয়ের মাত্র দুই বছর পরই অর্থাৎ ২০০৫ সালে যখন তাদের প্রথম মেয়ে সামিরার জন্ম হয় তার পর থেকেই আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা। কেননা, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। সেই দ্বন্দ্বের জেড়েই আলাদা হয়েছিলেন তারা। অনেক দেন-দরবারের পর ২০১০ সালে আবার তারা মিলিত হন। ওই বছরই জন্ম হয় তাদের দ্বিতীয় সন্তান। কারিশমা তার পিতামহ বিখ্যাত অভিনেতা ও নির্মাতা রাজ কাপুরের নামের সঙ্গে মিলিয়ে ছেলের নাম রাখেন কিয়ান রাজ কাপুর। পরে তাদের বিচ্ছেদের আগেই প্রিয়া সচদেবকে বিয়ে করেন সঞ্জয় কাপুর। এর পরেই বিচ্ছেদ হয় তাদের।

হাঙ্গামা/অভিজিৎ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ