Elnaaz Norouzi : শরণার্থী শিবিরে জুটত না খাবার, বদলে গেল অভিনেত্রীর জীবন
![]() |
| Elnaaz Norouzi : শরণার্থী শিবিরে জুটত না খাবার, বদলে গেল অভিনেত্রীর জীবন |
শরণার্থী শিবিরে খাবার জুটত না, যেভাবে বদলে গেল অভিনেত্রীর জীবন
বলিউড রিপোর্টার: ‘সেক্রেড গেমস্’ সিরিজটি পাল্টে দিয়েছে এলনাজ নোরৌজীর ভাগ্য। মুম্বাইয়ে এখন বিলাসী জীবন কাটান অভিনেত্রী। কিছুদিন আগে কিনেছেন আলিশান এক বাড়ি। কিন্তু ইরানি এ অভিনেত্রী ভোলেননি দুঃসহ জীবনের কথা। শরণার্থী শিবিরে ঠিকমতো খাবারও জুটত না।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ইউটিউবার হিসেবে কাজ করছেন বি-টাউনের নামকরা কোরিওগ্রাফার ফারাহ খান। বের করে আনছেন তারকাদের জীবনের কথা। এবার গিয়েছিলেন এলনাজের বাড়ি।

ফারাহর সঙ্গে নিজের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন এলনাজ। জানিয়েছেন, তেহরানের একটি ছোট বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। সেখান থেকে পালিয়ে যান জার্মানিতে। ঠাই হয় শরণার্থী শিবিরে।
এলনাজের কথায়, “লোকে ভাবত, আমরা খুবই ধনী। কিন্তু আসলে তা নয়। আমরা ইরানে খুব ছোট একটি বাড়িতে থাকতাম। তেহরানে নিজের শৈশবও আমার ভালো লাগত। তারপর জার্মানি গিয়ে সব বদলে গেল। আমরা শরণার্থী হিসাবে ওখানে থাকতাম।”

এলনাজ জানান, শরণার্থী শিবিরের দুর্ভোগের কথা। ছিল না কোনো পরিচয়পত্র। ছোট একটি ঘরে চাপাচাপি করে থাকত তার গোটা পরিবার। রান্নাঘর ও শৌচালয় অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে হতো।
তিনি বলেন, “আমরা খাবারের জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়াতাম। একটা আলু আর একটা ডিম দেওয়া হতো আমাদের। ওটুকুই অনেক ছিল তখন। খুব কঠিন জীবন দেখেছি আমি। আমাদের কাছে কিছু ছিল না। শূন্য থেকে আমরা পথচলা শুরু করেছিলান।”

এখন দিন বদলেছে এলনাজের। দশ বছর ধরে ভারতে আছেন। পরিচিতি গড়ে তুলেছেন অভিনেত্রী হিসেবে। তবে ভুলে যাননি শেকড়। বাড়ির আনাচ কানাচে রয়েছে ইরানি সংস্কৃতির ছোঁয়া। দেওয়ালে শৈশবের ছবি। টাঙানো ফ্রেমেবন্দি তেহরান ও জার্মানি।
হাঙ্গামা/সানজানা
