Header Ads Widget

Responsive Advertisement

Shweta Tiwari: নারীদের নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যে ক্ষোভ অভিনেত্রীর


Shweta Tiwari: নারীদের নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যে ক্ষোভ অভিনেত্রীর
Shweta Tiwari: নারীদের নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যে ক্ষোভ অভিনেত্রীর

নারীদের নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যে ক্ষোভ অভিনেত্রীর



বলিউড রিপোর্টার: সামাজিকমাধ্যমে নারীদের উদ্দেশে কুরুচিকর ও অবমাননাকর মন্তব্যের প্রবণতা নিয়ে সরব হয়েছেন ভারতীয় অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। তাকে লক্ষ্য করে করা আপত্তিকর মন্তব্যের স্ক্রিনশটও নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন তিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, শিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের পুরুষরাও কীভাবে প্রকাশ্যে একজন নারীকে এতটা অসম্মানজনক ভাষায় আক্রমণ করতে পারেন।

সামাজিকমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা নতুন কিছু নয়। তবে অনেক সময় সেই সমালোচনা সীমা ছাড়িয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কুরুচিকর মন্তব্যে রূপ নেয়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এমন প্রবণতা আরও বেশি দেখা যায়।

এবার সেই বিষয়টিই সামনে এনে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শ্বেতা তিওয়ারি। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শ্বেতা তার উদ্দেশে করা কয়েকটি আপত্তিকর মন্তব্যের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সামাজিকমাধ্যমে নারীদের নিয়ে এমন ভাষার ব্যবহার কীভাবে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

শ্বেতার বক্তব্য, সামাজিকমাধ্যমে কোনো নারীকে হেনস্তা কিংবা অপমান করা যেন অনেকের কাছে স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একজন নারীর বয়স, পেশা কিংবা সামাজিক পরিচয়- কোনোটিই তাকে অসম্মান করার লাইসেন্স হতে পারে না।

অভিনেত্রী প্রশ্ন তোলেন, সামাজিকমাধ্যমে নারীদের উদ্দেশে এতটা অবমাননাকর শব্দ কীভাবে অনলাইন কথোপকথনের স্বাভাবিক অংশ হয়ে গেল?

তার মতে, যে কোনো বয়স কিংবা পেশার নারীই এখন এ ধরনের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। অর্থাৎ বিষয়টি কোনো নির্দিষ্ট পরিচয় বা পরিস্থিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নারী হওয়ার কারণেই যেন অনেককে কুরুচিকর মন্তব্যের নিশানা বানানো হচ্ছে।

শ্বেতার বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি শুধু সামাজিকমাধ্যমের ট্রোলদের সমালোচনা করেই থেমে থাকেননি। বরং যারা এ ধরনের মন্তব্য করেন, তাদের সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

অভিনেত্রীর প্রশ্ন, নারীদের উদ্দেশে কুরুচিকর ভাষা ব্যবহার করা পুরুষদের সবাইকে অশিক্ষিত কিংবা সমস্যাগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ভাবার সুযোগ নেই। তাদের অনেকেই শিক্ষিত এবং বাইরে থেকে দেখলে সমাজের তথাকথিত অভিজাত পরিবারের সদস্য বলেই মনে হয়।

তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়- নিজেদের পরিবারে স্ত্রী, মা, মেয়ে কিংবা বোন থাকার পরও কীভাবে অন্য একজন নারীর সঙ্গে কথা বলার সময় এতটা অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করতে পারেন তারা?

শ্বেতার বক্তব্যে মূলত উঠে এসেছে সামাজিকমাধ্যমে নারীদের প্রতি সম্মানজনক আচরণের প্রয়োজনীয়তা। মতের অমিল কিংবা সমালোচনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা অশালীন ভাষা ব্যবহারের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সামাজিকমাধ্যমের আড়ালে পরিচয় গোপন রেখে কিংবা প্রকাশ্যে একজন নারীকে অপমান করা- কোনোটিকেই স্বাভাবিক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেই মনে করেন শ্বেতা তিওয়ারি।

হাঙ্গামা/জুলিয়েট

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ